আ’লীগের ২৩ জন নেতা যুদ্ধাপরাধের সাথে জড়িত : বিএনপি
আ’লীগের ২৩ জন নেতা যুদ্ধাপরাধের সাথে জড়িত : বিএনপি
আওয়ামী লীগের ২৩ জন নেতা যুদ্ধাপরাধের সাথে জড়িত দাবি করে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে হানাদার বাহিনীর সহযোগী হিসেবে কাজ করেছে, এমন অভিযোগে এক ডজন ব্যক্তির বিচার করেছে আওয়ামী লীগ সরকার। দলটি নিজেদের মুক্তিযুদ্ধের কথিত স্বপক্ষ শক্তি দাবি করে এ বিচার করলেও তাদের দলে থাকা রাজাকারদের ব্যাপারে একেবারে নিরব। আওয়ামী লীগেও রয়েছে কুখ্যাত রাজাকার, আল বদর, আল শামস, গণহত্যকারী, গণধর্ষণকারী, অগ্নি সংযোগকারীসহ অসংখ্য ব্যক্তি। যারা স্বাধীনতাযুদ্ধে মানবতাবিরোধী লিপ্ত ছিল। এই ব্যক্তিরাসহ তাদের সন্তান-সন্তুতি এখন আওয়ামী লীগের বড় নেতা বা তাদের টিকিটে নির্বাচন করছেন। কিন্তু এখন তারা রয়েছেন ধরা ছোঁয়ার বাইরে। তবে আওয়ামী লীগের নেতারা বিভিন্ন সময বক্তৃতায় বলেছেন, আওয়ামী লীগে রাজাকার থাকলে দেখিয়ে দেন-আমরা তাদের বিচার করবো।
তিনি আরো বলেন, জিয়া পরিবারের বিরুদ্ধে পরিকল্পিত কুৎসা, ঘৃণ্য অপপ্রচারের ধারাবাহিকতা এখনো অব্যাহত আছে। আইএসআই নাকি বিএনপির মনোনয়নে ভূমিকা রেখেছে। এটি ডাহা মিথ্যাই নয়, নোংরা অপপ্রচার।
আজ রোববার সকালে নয়া পল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে রিজভী এসব কথা বলেন।
‘যারা যুদ্ধাপরাধীদের মনোনয়ন দেয় তারা দেশকে ধ্বংস করে দেবে। ধানের শীষকে ভোট দেয়া মানে দুর্নীতি, লুটপাট ও জঙ্গীবাদকে প্রশ্রয় দেয়া’ প্রধানমন্ত্রীর এমন মন্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় রিজভী বলেন, প্রধানমন্ত্রী আপনি বাংলাদেশ ব্যাংক লুটের কথা তো বললেন না? এটা কে লুট করেছে? সব ব্যাংকগুলো লুটপাট করে খালি করেছে কারা? শেয়ার বাজার লুট করেছে কারা? আপনার অর্থমন্ত্রী সংসদে দাঁড়িয়ে বলেছেন- এই সরকারের আমলে পুকুর চুরি নয়, সাগর চুরি হয়েছে। বিভিন্ন গণমাধ্যমে দেশ থেকে হাজার হাজার কোটি টাকা পাচারের খবর প্রকাশিত হয়েছে। মাত্র কয়েকদিন আগেই সংবাদ সম্মেলন করে বলেছে- গত দশ বছরে সাড়ে বাইশ হাজার কোটি টাকা বিদেশে পাচার করেছে এই সরকারের লোকজন। আবার একসময় হলমার্ক কেলেঙ্কারীর সময় অর্থমন্ত্রী বলেছিলেন- চার হাজার কোটি টাকা নাকি কোনো টাকাই নয়। আওয়ামী সরকারের আমলে দুর্নীতির তীব্রতায় শিক্ষামন্ত্রী প্রকাশ্যে সরকারি কর্মচারীদের বলেছেন- সহনীয় পর্যায়ে ঘুষ খেতে। আওয়ামী সরকার আত্মস্বীকৃত দুর্নীতিবাজ ও লুটপাটকারী।
রিজভী বলেন, আওয়ামী লীগের ২৩ জন যুদ্ধাপরাধী বা তাদের পরিবার কোনো না কোনোভাবে ৭১ সালে পাকিস্তান সরকার ও যুদ্ধাপরাধের সাথে জড়িত ছিলেন। মক্তিযুদ্ধের বিরুদ্ধে আওয়ামী লীগের এসব নেতা ঘৃণিত ভূমিকা পালন করেছেন। পরবর্তী সময়ে আওয়ামী লীগের রাজনীতেতে সক্রিয় থেকে মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের শক্তি বনে গিয়েছে। ১৯৭১ সালে মুক্তিযোদ্বাদের হত্যাসহ নানা ধরনের মানবতাবিরোধী অপরাধের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন তারা।
রিজভী বলেন, জিয়া পরিবারের বিরুদ্ধে পরিকল্পিত কুৎসা, ঘৃণ্য অপপ্রচারের ধারাবাহিকতা এখনো অব্যাহত আছে। আইএসআই নাকি বিএনপির মনোনয়নে ভূমিকা রেখেছে। এটি ডাহা মিথ্যাই নয়, নোংরা অপপ্রচার। সরকার আগ্রাসী প্রতিহিংসায় বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ভাবমূর্তিকে বিনষ্ট করার জন্য কিছু মিডিয়া ও বুদ্ধিজীবীকে লেলিয়ে দেয়া হয়েছে। তারা ইনিয়ে বিনিয়ে মনগড়া তথ্য বানিয়ে নিজেদের কিছু মিডিয়ায় অপপ্রচার করছে যাতে সত্যের লেশমাত্রও নেই।
তিনি বলেন, মিথ্যা অপপ্রচার এখন মানুষ বিশ্বাস করে না। আসন্ন নির্বাচনের আগে সরকার উদ্ভট প্রচার-প্রপাগান্ডা চালাচ্ছে। এখন বিএনপির অন্যান্য নেতাদের নামেও মিথ্যা ও বানোয়াট অপপ্রচার চালানো হচ্ছে। মনগড়া তথ্যের দ্বারা কাল্পনিক গল্প বানিয়ে বিএনপির নেতৃবৃন্দের বিরুদ্ধে নির্বাচনের প্রাক্কালে মিথ্যা প্রচারের ধুম শুরু হয়েছে। তারই অংশ হিসেবে বিএনপির আইনবিষয়ক সম্পাদক ও নেত্রকোনা-১ কলমাকান্দা-দূর্গাপুর আসনে বিএনপি মনোনীত ধানের শীষের প্রার্থী ব্যারিস্টার কায়সার কামাল ও ঝালকাঠি-২ আসনে বিএনপি প্রার্থী ও বিএনপি নেত্রী জেবা খানের নামে সংগঠিত অপপ্রচার শুরু হয়েছে। একটি ইলেক্ট্রনিক্স গণমাধ্যমে বলা হয়েছে যে, আইএসআই নাকি বিএনপির মনোনয়নে সুপারিশ করেছে। তারা বিএনপির কেন্দ্রীয় ও ত্যাগী জনপ্রিয় নেতা, ২০০৮ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনেও ব্যারিস্টার কায়সার কামাল একই আসন থেকে নির্বাচন করেছেন। জনপ্রিয় নেতাদের বিরুদ্ধে এধরণের অপপ্রচার নোংরা মানসিকতারই বহিঃপ্রকাশ। আমি বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের বিরুদ্ধে মিথ্যা ও বানোয়াট অপপ্রচারের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। এছাড়া ব্যারিস্টার কায়সার কামাল ও জেবা খানের বিরুদ্ধে কলঙ্ক লেপনের জন্যই উদ্দেশ্যপ্রণোদিত এই ভিত্তিহীন সংবাদ উক্ত ইলেকট্রনিক মিডিয়ায় প্রচার করছে। আমি এটিরও তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।
এছাড়া এখনো দেশের বিভিন্ন স্থানে ধানের শীষের প্রার্থী ও তাদের সমর্থকদের ওপর হামলা মামলার চিত্র তুলে ধরে রিজভী বলেন, একতরফা নির্বাচন করতেই আওয়ামী লীগ আদালতের ঘাড়ে বন্ধুক রেখে বিএনপির প্রার্থীদের প্রার্থীতা বাতিল করছে। নির্বাচনী সহিংসতা কথা তুলে ধরে তিনি জানান, নোয়াখালী-৪, মাগুরা, সিলেট-১, সিলেট-৫, সিলেট-৬, মৌলভীবাজার-১, মৌলভীবাজার-৪, ময়মনসিংহ-৯, সুনামগঞ্জ-২, বাগেরহাট-৪, চুয়াডাঙ্গা জেলা, হবিগঞ্জ-১, হবিগঞ্জ-২, হবিগঞ্জ-৩, হবিগঞ্জ-৪, নওগাঁ-২, সিরাজগঞ্জ-৪, নাটোর-৩, ময়মনসিংহ-৩, নেত্রকোনা-১, জয়পুরহাট-২, কিশোরগঞ্জ-৬, টাঙ্গাইল-৪, টাঙ্গাইল-৭, ঢাকা-৩, ঢাকা-৪, ঢাকা-১২, ঢাকা-১৩, ঢাকা-১৪, ঢাকা-১৫, নরসিংদী-৩, নরসিংদী-৪, গাজীপুর-১, গাজীপুর-৩, গাজীপুর-৫, মুন্সীগঞ্জ-১, মুন্সীগঞ্জ-৩, শরীয়তপুর, কুষ্টিয়া-১, কুষ্টিয়া-৪, সাতক্ষীরা-৩, মেহেরপুর-১, বাগেরহাট-১, বরিশাল-৬, ভোলা-৪, কুমিল্লা-৬, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা, চট্টগ্রাম-৬, চট্টগ্রাম-৮, কক্সবাজার জেলা, নোয়াখালী-১, নোয়াখালী-২, ফেনী-১, ফেনী-২, ফেনী-৩, সিরাজগঞ্জ-৩, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ, ময়মনসিংহ-২, আসনে নির্বাচনী প্রচারণায় ধানের শীষের প্রার্থী, বিএনপি নেতাকর্মী ও সমর্থকদের ওপর আওয়ামী সন্ত্রাসীদের ন্যাক্কারজনক হামলার ঘটনায় আমি তীব্র নিন্দা, ধিক্কার ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি এবং বিএনপি ও অঙ্গ/সহযোগী সংগঠনসহ বিরোধী দলীয় গ্রেফতারকৃত নেতাকর্মীদের নিঃশর্ত মুক্তির জোর দাবি করছি। পুলিশ ও আওয়ামী সন্ত্রাসীদের হামলায় আহত নেতাকর্মীদের আশু সুস্থতা কামনা করছি।
রবিবার, ২৩ ডিসেম্বর ২০১৮
আওয়ামী লীগের ২৩ জন নেতা যুদ্ধাপরাধের সাথে জড়িত দাবি করে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে হানাদার বাহিনীর সহযোগী হিসেবে কাজ করেছে, এমন অভিযোগে এক ডজন ব্যক্তির বিচার করেছে আওয়ামী লীগ সরকার। দলটি নিজেদের মুক্তিযুদ্ধের কথিত স্বপক্ষ শক্তি দাবি করে এ বিচার করলেও তাদের দলে থাকা রাজাকারদের ব্যাপারে একেবারে নিরব। আওয়ামী লীগেও রয়েছে কুখ্যাত রাজাকার, আল বদর, আল শামস, গণহত্যকারী, গণধর্ষণকারী, অগ্নি সংযোগকারীসহ অসংখ্য ব্যক্তি। যারা স্বাধীনতাযুদ্ধে মানবতাবিরোধী লিপ্ত ছিল। এই ব্যক্তিরাসহ তাদের সন্তান-সন্তুতি এখন আওয়ামী লীগের বড় নেতা বা তাদের টিকিটে নির্বাচন করছেন। কিন্তু এখন তারা রয়েছেন ধরা ছোঁয়ার বাইরে। তবে আওয়ামী লীগের নেতারা বিভিন্ন সময বক্তৃতায় বলেছেন, আওয়ামী লীগে রাজাকার থাকলে দেখিয়ে দেন-আমরা তাদের বিচার করবো।
তিনি আরো বলেন, জিয়া পরিবারের বিরুদ্ধে পরিকল্পিত কুৎসা, ঘৃণ্য অপপ্রচারের ধারাবাহিকতা এখনো অব্যাহত আছে। আইএসআই নাকি বিএনপির মনোনয়নে ভূমিকা রেখেছে। এটি ডাহা মিথ্যাই নয়, নোংরা অপপ্রচার।
আজ রোববার সকালে নয়া পল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে রিজভী এসব কথা বলেন।
‘যারা যুদ্ধাপরাধীদের মনোনয়ন দেয় তারা দেশকে ধ্বংস করে দেবে। ধানের শীষকে ভোট দেয়া মানে দুর্নীতি, লুটপাট ও জঙ্গীবাদকে প্রশ্রয় দেয়া’ প্রধানমন্ত্রীর এমন মন্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় রিজভী বলেন, প্রধানমন্ত্রী আপনি বাংলাদেশ ব্যাংক লুটের কথা তো বললেন না? এটা কে লুট করেছে? সব ব্যাংকগুলো লুটপাট করে খালি করেছে কারা? শেয়ার বাজার লুট করেছে কারা? আপনার অর্থমন্ত্রী সংসদে দাঁড়িয়ে বলেছেন- এই সরকারের আমলে পুকুর চুরি নয়, সাগর চুরি হয়েছে। বিভিন্ন গণমাধ্যমে দেশ থেকে হাজার হাজার কোটি টাকা পাচারের খবর প্রকাশিত হয়েছে। মাত্র কয়েকদিন আগেই সংবাদ সম্মেলন করে বলেছে- গত দশ বছরে সাড়ে বাইশ হাজার কোটি টাকা বিদেশে পাচার করেছে এই সরকারের লোকজন। আবার একসময় হলমার্ক কেলেঙ্কারীর সময় অর্থমন্ত্রী বলেছিলেন- চার হাজার কোটি টাকা নাকি কোনো টাকাই নয়। আওয়ামী সরকারের আমলে দুর্নীতির তীব্রতায় শিক্ষামন্ত্রী প্রকাশ্যে সরকারি কর্মচারীদের বলেছেন- সহনীয় পর্যায়ে ঘুষ খেতে। আওয়ামী সরকার আত্মস্বীকৃত দুর্নীতিবাজ ও লুটপাটকারী।
রিজভী বলেন, আওয়ামী লীগের ২৩ জন যুদ্ধাপরাধী বা তাদের পরিবার কোনো না কোনোভাবে ৭১ সালে পাকিস্তান সরকার ও যুদ্ধাপরাধের সাথে জড়িত ছিলেন। মক্তিযুদ্ধের বিরুদ্ধে আওয়ামী লীগের এসব নেতা ঘৃণিত ভূমিকা পালন করেছেন। পরবর্তী সময়ে আওয়ামী লীগের রাজনীতেতে সক্রিয় থেকে মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের শক্তি বনে গিয়েছে। ১৯৭১ সালে মুক্তিযোদ্বাদের হত্যাসহ নানা ধরনের মানবতাবিরোধী অপরাধের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন তারা।
রিজভী বলেন, জিয়া পরিবারের বিরুদ্ধে পরিকল্পিত কুৎসা, ঘৃণ্য অপপ্রচারের ধারাবাহিকতা এখনো অব্যাহত আছে। আইএসআই নাকি বিএনপির মনোনয়নে ভূমিকা রেখেছে। এটি ডাহা মিথ্যাই নয়, নোংরা অপপ্রচার। সরকার আগ্রাসী প্রতিহিংসায় বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ভাবমূর্তিকে বিনষ্ট করার জন্য কিছু মিডিয়া ও বুদ্ধিজীবীকে লেলিয়ে দেয়া হয়েছে। তারা ইনিয়ে বিনিয়ে মনগড়া তথ্য বানিয়ে নিজেদের কিছু মিডিয়ায় অপপ্রচার করছে যাতে সত্যের লেশমাত্রও নেই।
তিনি বলেন, মিথ্যা অপপ্রচার এখন মানুষ বিশ্বাস করে না। আসন্ন নির্বাচনের আগে সরকার উদ্ভট প্রচার-প্রপাগান্ডা চালাচ্ছে। এখন বিএনপির অন্যান্য নেতাদের নামেও মিথ্যা ও বানোয়াট অপপ্রচার চালানো হচ্ছে। মনগড়া তথ্যের দ্বারা কাল্পনিক গল্প বানিয়ে বিএনপির নেতৃবৃন্দের বিরুদ্ধে নির্বাচনের প্রাক্কালে মিথ্যা প্রচারের ধুম শুরু হয়েছে। তারই অংশ হিসেবে বিএনপির আইনবিষয়ক সম্পাদক ও নেত্রকোনা-১ কলমাকান্দা-দূর্গাপুর আসনে বিএনপি মনোনীত ধানের শীষের প্রার্থী ব্যারিস্টার কায়সার কামাল ও ঝালকাঠি-২ আসনে বিএনপি প্রার্থী ও বিএনপি নেত্রী জেবা খানের নামে সংগঠিত অপপ্রচার শুরু হয়েছে। একটি ইলেক্ট্রনিক্স গণমাধ্যমে বলা হয়েছে যে, আইএসআই নাকি বিএনপির মনোনয়নে সুপারিশ করেছে। তারা বিএনপির কেন্দ্রীয় ও ত্যাগী জনপ্রিয় নেতা, ২০০৮ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনেও ব্যারিস্টার কায়সার কামাল একই আসন থেকে নির্বাচন করেছেন। জনপ্রিয় নেতাদের বিরুদ্ধে এধরণের অপপ্রচার নোংরা মানসিকতারই বহিঃপ্রকাশ। আমি বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের বিরুদ্ধে মিথ্যা ও বানোয়াট অপপ্রচারের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। এছাড়া ব্যারিস্টার কায়সার কামাল ও জেবা খানের বিরুদ্ধে কলঙ্ক লেপনের জন্যই উদ্দেশ্যপ্রণোদিত এই ভিত্তিহীন সংবাদ উক্ত ইলেকট্রনিক মিডিয়ায় প্রচার করছে। আমি এটিরও তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।
এছাড়া এখনো দেশের বিভিন্ন স্থানে ধানের শীষের প্রার্থী ও তাদের সমর্থকদের ওপর হামলা মামলার চিত্র তুলে ধরে রিজভী বলেন, একতরফা নির্বাচন করতেই আওয়ামী লীগ আদালতের ঘাড়ে বন্ধুক রেখে বিএনপির প্রার্থীদের প্রার্থীতা বাতিল করছে। নির্বাচনী সহিংসতা কথা তুলে ধরে তিনি জানান, নোয়াখালী-৪, মাগুরা, সিলেট-১, সিলেট-৫, সিলেট-৬, মৌলভীবাজার-১, মৌলভীবাজার-৪, ময়মনসিংহ-৯, সুনামগঞ্জ-২, বাগেরহাট-৪, চুয়াডাঙ্গা জেলা, হবিগঞ্জ-১, হবিগঞ্জ-২, হবিগঞ্জ-৩, হবিগঞ্জ-৪, নওগাঁ-২, সিরাজগঞ্জ-৪, নাটোর-৩, ময়মনসিংহ-৩, নেত্রকোনা-১, জয়পুরহাট-২, কিশোরগঞ্জ-৬, টাঙ্গাইল-৪, টাঙ্গাইল-৭, ঢাকা-৩, ঢাকা-৪, ঢাকা-১২, ঢাকা-১৩, ঢাকা-১৪, ঢাকা-১৫, নরসিংদী-৩, নরসিংদী-৪, গাজীপুর-১, গাজীপুর-৩, গাজীপুর-৫, মুন্সীগঞ্জ-১, মুন্সীগঞ্জ-৩, শরীয়তপুর, কুষ্টিয়া-১, কুষ্টিয়া-৪, সাতক্ষীরা-৩, মেহেরপুর-১, বাগেরহাট-১, বরিশাল-৬, ভোলা-৪, কুমিল্লা-৬, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা, চট্টগ্রাম-৬, চট্টগ্রাম-৮, কক্সবাজার জেলা, নোয়াখালী-১, নোয়াখালী-২, ফেনী-১, ফেনী-২, ফেনী-৩, সিরাজগঞ্জ-৩, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ, ময়মনসিংহ-২, আসনে নির্বাচনী প্রচারণায় ধানের শীষের প্রার্থী, বিএনপি নেতাকর্মী ও সমর্থকদের ওপর আওয়ামী সন্ত্রাসীদের ন্যাক্কারজনক হামলার ঘটনায় আমি তীব্র নিন্দা, ধিক্কার ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি এবং বিএনপি ও অঙ্গ/সহযোগী সংগঠনসহ বিরোধী দলীয় গ্রেফতারকৃত নেতাকর্মীদের নিঃশর্ত মুক্তির জোর দাবি করছি। পুলিশ ও আওয়ামী সন্ত্রাসীদের হামলায় আহত নেতাকর্মীদের আশু সুস্থতা কামনা করছি।

মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন